মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
মামুন আহমেদ, বানারীপাড়া :: বানারীপাড়ায় দাগ নম্বর জালয়াতি করে অন্যের ক্রয়কৃত জমির মালিকানা দাবি এবং মীমাংসার নামে স্থানীয় সালিশদের বিরুদ্ধে
কালক্ষেপণের আভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, গত ০৪/১২/২০১৮ তারিখ উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের আউয়ার গ্রামের মৃত আ. করিম হাওলাদারের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন একই গ্রামের মৃত লেহাজ উদ্দিন মৃধার ছেলে মো. হাবিবুর রহমানের কাছ থেকে বিভিন্ন দাগে মোট ২৯ শতাংশ জমি ক্রয় করেন।
তিনি চাখার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মাধ্যমে ছাপ কবলা দলিলমূলে আউয়ার বাজার হাসপাতালের উত্তর পাশে ১৭ নং আউয়ার মৌজায় ১২৪ এসএ খতিয়ানে ৫৫৪ নং দাগে ৯শতাংশ এবং ১০৬ এসএ খতিয়ানে ৩৩৫, ৩৪৩ ও ৫৫২ নং দাগে ২০শতাংশসহ মোট ২৯ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। কিন্তু ওই ইউনিয়নের সাতবাড়িয়া গ্রামের মৃত মো. শামসুল হকের ছেলে মাজহারুল ইসলাম হাসান গং আলমগীর হোসেনের ক্রয়কৃত জমিতে ঘর তুলতে গেলে আলমগীর হোসেন তাতে বাঁধা দেন।
আলমগীর হোসেনকে তারা জানান, এ জমি লেহাজ উদ্দিনের কাছ থেকে তার বাবা শামসুল হক ক্রয় করেছেন। পরবর্তীতে আলমগীর হোসেন মূল কাগজপত্র ঘেঁটে দেখতে পান শামসুল হকের ক্রয়কৃত জমি একই মৌজায় যার সিএস খতিয়ানের দাগ নং ২৬০ ও ২৬১। মো. শামসুল হক গং পরচা ফটোকপি করে দাগ নম্বর ২৬৯ জালিয়াতি করে ২৬১ তে রূপান্তর করে ওই জমির মালিকানা তাদের বলে দাবি করেন। যা নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে এক পর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় সালিশদের মাধ্যমে সুরাহার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু বহুবার সালিশ বৈঠকের পরেও সালিশগণ আজ পর্যন্ত বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান না করে বার বার সময় চেয়ে কালক্ষেপণ করে আসছেন।
সালিশগণ হলেন সৈয়দকাঠি ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান আ. মন্নান মৃধা, সৈয়দকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম মৃধা, আওয়ামী লীগ নেতা মো. বজলুর রহমান ও দুলাল বালী প্রমুখ। ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেন সালিশগণের কাছে এর সুষ্ঠু সমাধান চাচ্ছেন। সুষ্ঠু বিচার না পেলে তিনি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন। এ বিষয়ে সালিশগণের একজন আওয়ামী লীগ নেতা মো. বজলুর রহমান জানান, চেয়ারম্যান আ. মন্নান মৃধা কিছুদিন সময় নিয়েছেন। দ্রুত এ বিষয়টি ফয়সালা করে দেেওয়া হবে।