মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
পৌরসভার ময়লা পরিষ্কার করে সংসার চালান বিধবা তাহমিনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন সম্পন্ন ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে নারীর অংশ বাড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮ জাহাজ আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি আসামির নারায়ণগঞ্জ ভূমি বারান্দায় প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সহপাঠীর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের বিক্ষোভ, তদন্ত কমিটি আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সারাদেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন আবারও হামলা সৌদির আরামকো তেল শোধনাগারে কুষ্টিয়া ইবি শিক্ষিকাকে কুপিয়ে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা নতুন করে উদ্যোগ শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে: চিফ প্রসিকিউটর মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের শক্তি প্রদর্শন ইসরাইলের লাশের হাহাকার চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, অনিয়মের অভিযোগ

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন রিপোর্টর :: রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আউট ডোরে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা হয়রানিসহ নানান অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। বিশেষ করে শিশু রোগীদের জন্য মাত্র একজন এমবিবিএস চিকিৎসককে দিয়ে চলছে ৩ থেকে ৪শ রোগীর চিকিৎসা।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা শিশুদের মায়েদের দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

আর ওষুধ দেওয়ার নামে ধরিয়ে দেওয়া হয় কমদামি কিছু ট্যাবলেট। অনেকেই চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আউড ডোরে বিভিন্ন বিভাগে ঘুরে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেলো নানান অনিয়ম আর হয়রানির অভিযোগ। বর্তমানে শৈত্যপ্রবাহের কারণে রংপুর অঞ্চলে কোল্ড ডায়রিয়া নিউমোনিয়া শ্বাসকষ্ট সর্দি জ্বর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। শিশুরা এসব রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

কুড়িগ্রাম থেকে আসা নাজমা বেগম বলেন, ‘চাঁর মাস বয়সী মেয়ের জ্বর কমছে না। পাঁচ দিন ধরে এখানে আসার পর যা দেখছেন, বোধহয় ডাক্তার দেখাতে দুপুর হয়ে যাবে। একজন ডাক্তারের পক্ষে এত শিশুর চিকিৎসাসেবা দেওয়া কি সম্ভব?’

রংপুর নগরীর সিও বাজার থেকে আসা রেহেনা বেগম জানান, তার আড়াই মাস বয়সী শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। তিন দিন ধরে তার কোনও উন্নতি হচ্ছে না। এখানে এসেছেন দুই ঘণ্টা ধরে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন এখনও ডাক্তারের দেখা মেলেনি।

একই কথা জানালেন তিস্তা নদীর দুর্গম চরাঞ্চল থেকে ৭ মাস বয়সী মেয়েকে নিয়ে আসা শেপালি। তিনি জানান, তিন ঘণ্টা অপেক্ষার পর ডাক্তারের দেখা মিলেছে। তিনি দুই মিনিট সময় নিয়ে সমস্যা শোনার আগেই ব্যবস্থাপত্র ধরিয়ে দিয়ে বললেন ওষুধ খাওয়ান ভালো হয়ে যাবে।

রংপুরের গঙ্গাচড়া থেকে আসা কহিনুর বেগম জানান, তার চার মাস বয়সের মেয়ে চার দিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছে। অনেক আশা নিয়ে এসেছিলেন, কিন্তু ডাক্তার ভালো মতো সমস্যার কথা না শুনেই ওষুধ লিখে দিলো। বাইরে থেকে ওষুধ কিনে নিতে বললো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেলো, শিশু বিভাগের আউট ডোরে যিনি দায়িত্ব পালন করছেন তিনি একজন মেডিক্যাল অফিসার। তার শিশু রোগ সম্পর্কে কোনও ডিগ্রি নেই। অথচ হাসপাতালে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপকসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার অনেক চিকিৎসক আছেন, তারা কেউই আউট ডোরে আসেন না, রোগীও দেখেন না।

এ ব্যাপারে দায়িত্ব পালনরত চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করে কথা বলতে তার চেম্বারে গেলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন পরিচালকের সঙ্গে কথা বলতে, তিনি কোনও কথা বলবেন না।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, অল্প কিছু দিন হলো এখানে এসেছেন। অনেক সমস্যা আছে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করবেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © অনুসন্ধান24 -২০১৯