মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠি টিটিসিতে রহস্যজনক চুরি হয়েছে কিন্তু এলকাবাসী বলছে ভিন্ন কথা। এলাকাবাসীর অভিযোগ পরিকল্পিত লোপাট করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে।
শুক্রবার দিবাগত রাত্রে ৬৪ টি কম্পিউটারের র্যাম, প্রসেসর, হার্ড ডিস্ক চুরি হয়েছে।কিন্তু সিসি ক্যামেরা ফাঁকি দিয়ে কৌশলে তালা খুলে এতগুলি কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ খুলে নেয়ায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে জনমনে।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সাদেকা সুলতানা জানান, “আমি নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েছি। নিরাপত্তা প্রহরীরা আমার নিকট থেকে ছুটি না নিয়ে স্থানীয় যুবলীগ নেতা কাউন্সিলর রেজাউল করিম জাকিরের সাথে ঢাকা চলে গেছেন বলে জেনেছি।
ঘটনার রাতে নিরাপত্তা প্রহরির দায়িত্বে ছিল মোঃ আমিন কিন্তু সে দায়িত্ব পালন না করে অস্থায়ী নিয়োগ প্রাপ্ত মালি মোঃ কাওসারকে নিরাপত্তা প্রহরীর দায়িত্ব পালন করতে বলে অধ্যক্ষকে না জানিয়ে সে কর্মস্থল ত্যাগ করে।” কাওসারকে ঝালকাঠি থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে জানা যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন যাবত টিটিসিতে ব্যাপক দুর্নীতি চলছে।
এ ব্যাপারে মোঃ গিয়াস উদ্দিন সাবেক ড্রাইভিং সহকারী ইন্সট্রাক্টর জানান,“আমার বেতনের অর্ধেক টাকা অধ্যক্ষ ও তার স্বামী কম্পিউটার ইন্সট্রাক্টর মোঃ শাহীন বাদশাহ দু’জনে মিলে আত্মসাৎ করাতে আমি দুদকের কাছে অভিযোগ দায়ের করি এবং বর্তমানে এ বিষয়ে দুদকের তদন্ত চলছে।” এছাড়াও অধ্যক্ষ ও তার স্বামী কম্পিউটার ইন্সট্রাক্টর মোঃ শাহীন বাদশাহ বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের সামনে বন বিভাগের গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ ছিল। পরে এ নিয়ে মামলা পর্যন্ত গড়িয়েছে। দীর্ঘদিন যাবত প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম ও দুর্ণীতি ও সরকারী টাকা আত্মসাতের খবরও বিভিন্ন সময় পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয় কিন্তু থামেনি এসব কর্মকান্ড। ঝালকাঠি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবু তাহের জানান, “গতকালকের কম্পিউটার চুরির বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।